লকডাউন এর সময় বেকার না থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর বাজিমাত!

অর্থনীতি উচ্চ শিক্ষা বাংলাদেশ শিক্ষা শিল্প

সোহাগ মাতুব্বর, বিশেষ প্রতিনিধি: লকডাউন এর সময় আর দশজন ছাত্র-ছাত্রীদের মতো বেকার সময় পার না করে নিজের সময় টা যদি কোন কাজে ব্যায় করা যায় তাতে ক্ষতির কি আছে এতে যেমন অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জন করার মাধ্যমে পরিবার কে সহযোগিতা করা যায় অন্য দিকে বেকারত্ব দূর করা অর্থাৎ আত্মকর্মসংস্থান করা সম্ভব। 

“ছোট শিশুদের জন্য তৈরি পোশাক”

কথায় আছে বেকার মস্তিষ্ক শয়তানের বাসা!
তেমন বেকার মস্তিষ্ক থেকে ভুল কোন পদক্ষেপ যাতে না আসে তার জন্য কাজ করাই উত্তম।

“সুদর্শন বক্স কভার”

“ঠিক এমনি এক পরিশ্রমী শিক্ষার্থীর গল্প শুনাব আজ যার কথা হচ্ছে তার নাম হলো সীমা আক্তার সরকারি  আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের  শিক্ষার্থী। লকডাউন এর এই সময় ঘর বন্দি সময় সকলেই পার করছে কিন্তু সীমা আক্তার  বসে না থেকে হস্তশিল্প অর্থাৎ হাতের কাজ শুরু করেন । ডিজিটাল প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে বাজারজাত শুরু করেন তার নিজের হাতের তৈরি হরেক রকমের পণ্য।”

টেবিল ক্লাথ

“অনলাইনে মাধ্যমে অল্প কিছু দিন আগে শুরু করলেও কাজের গুণগত মান ভালো হওয়ার কারনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেড়েছে কদর।”

“স্কুল ব্যাগ”

“এই বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সীমা আক্তার এর সঙ্গে কথা হলে তিনি পদ্মার নিউজ কে জানান লকডাউন এর সময় খুবই বরিং ছিল কলেজ বন্ধ থাকায় পড়াশোনার চাপ কম অলস সময় পার করতে ছিলাম।  তাই হঠাৎ মাথায় বুদ্ধি এলো কিছু একটা করার তাই হাতে ‘সুতো আর কুশি কাটা’ নিয়ে  শুরু করলাম কাজ। বিদেশী অবস্থানরত বাংলাদেশীদের কাছ থেকে আসছে বিভিন্ন পণ্যের অর্ডার।  আমি বর্তমানে একটি ফ্যামিলির চারটি মেয়ে কে এই কাজ শিখিয়েছি তার আমাকে পণ্য তৈরি করে দিচ্ছেন আর আগ্রহীদের খুজতেছি শেখানোর জন্য।”

“এই বিষয়ে সরকারি আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ নারায়ণ চন্দ্র ভৌমিক বলেন  সীমা অত্যন্ত নম্র, ভদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী । তার নেওয়া পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমি তাহার সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করছি”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *